Thursday, October 10, 2024

কেন আপনার শিশু পড়তে চায় না, জানেন?

 

            কেন আপনার শিশু পড়তে চায় না, জানেন?

মা–বাবারা প্রায়ই অভিযোগ ক‌রেন, ‘আমার বাচ্চাটা পড়‌তে চায় না।’ অন‌্য সবদি‌কে ম‌নো‌নি‌বেশ থাক‌লেও পড়ায় রা‌জ্যের আল‌সেমি। কেন সে এমন করে?


১. মা–বাবার বই না পড়া

মনে রাখবেন, আপনি শিশুকে যতই পড়তে বলেন না কেন, সে সেটাই করবে, যেটা আপনি করেন। শিশুরা দেখে দেখে শেখে। তাই আপনি নিজে বই না পড়লে শিশুকে যতই পড়তে বলেন না কেন, সে আগ্রহী হবে না।

সমাধান

আপনারাও বই পড়ার অভ্যাস করুন। সন্তানের সামনে পত্রিকা, বই পড়ুন। সন্তানকে পড়ানোর সময় নিজেরাও সঙ্গ দিন।


আপনি নিজে বই না পড়লে শিশুকে যতই পড়তে বলেন না কেন, সে আগ্রহী হবে না

২. বইয়ের ফরম‌্যাটে তারা আগ্রহী নয়

ডি‌জিটাল এই সম‌য়ে সামা‌জিক যোগা‌যোগমাধ‌্যম, ভিডিও গেমস, ইউটিউব ভিডিও, রিলস ‌শিশু‌দের খুব টা‌নে। ছাপার অক্ষর তাদের আর টা‌নে না। এ যেন ছাপা অক্ষ‌রের স‌ঙ্গে অনলাইন–দুনিয়ার অলিখিত প্রতি‌যোগিতা। ‌শিশু‌দের প্রিন্ট বইয়ের ফরম‌্যাটটা যেন ভা‌লো লা‌গে না। ‌দিন দিন পড়ায় আগ্রহ হা‌রি‌য়ে ফে‌লছে তারা।

সমাধান

এ জন‌্য শিশুদের মোবাইল–আস‌ক্তি‌তে রাশ টান‌তে হ‌বে। অর্থাৎ তা‌দের স্ক্রিনিং টাইম ক‌মি‌য়ে আন‌তে হ‌বে। বই বাছাইয়ে নতুনত্ব আন‌তে হ‌বে। শিশুরা নতুন জি‌নিস পছন্দ ক‌রে। তাই গতানুগ‌তিক বইয়ের পাশাপা‌শি তা‌দের পছ‌ন্দের বই দি‌তে পা‌রেন। তা‌দের‌ গ্রা‌ফিক উপন্যাস বা ‘থ্রি ডি’ বই পড়‌তে দিন, পড়ার দি‌কে তা‌দের আগ্রহ বাড়‌বে। এই বইগুলোও বোঝার দক্ষতা তৈরি ক‌র‌বে, ধীশ‌ক্তি বাড়‌বে এবং অনীহা কম‌বে।


৩. বইয়ের বিষয়গুলো তা‌দের পছন্দ নয়

‘বই বিরক্তিকর’—এ ধর‌নের অভিযোগ প্রায়ই পাওয়া যায়। এই কথার আড়ালে শিশু আসলে যা বলার চেষ্টা করছে, তা হলো, ‘আমাকে আকর্ষণীয় কিছু পড়তে দাও।’ কখনো কখনো মা–বাবারা তাদের পছ‌ন্দের ট‌পিক পড়‌তে দেন না। এতে তারা উৎসাহ হারিয়ে ফেলে। 

সমাধান

আকর্ষণীয় বই বা ট‌পিক খুঁজে পেতে একজন গ্রন্থাগারিক, শিক্ষক, অন‌্য শিক্ষার্থী বা অভিভাবকদের সঙ্গে কথা বলুন। কমিকস, খেলাধুলা‌বিষয়ক বই, পশুপাখির খাবারের ছবি–সংবলিত বই, ফ্যাশন ম্যাগাজিন—এ রকম ভিন্ন ধাঁচের বই দি‌তে পা‌রেন। আপনার শিশুকে জিজ্ঞাসা করুন, সে কী ধরনের বই পড়তে চায়। তাকে নিয়ে যান বইয়ের দোকানে।

৪. শিশুরা পড়ার উদ্দেশ‌্য খুঁজে পায় না

শিশুরা ফ‌্যান্টা‌সি পছন্দ ক‌রে। গল্পের জাদুতে হারিয়ে যেতে চায় তারা। গৎবাঁধা বিষয় পড়‌তে চায় না। মা–বাবা যখন জোর ক‌রে তা‌দের গৎবাঁধা বই পড়ান, তখন তা‌দের ম‌নে বিরূপ প্রভাব প‌ড়ে। শিশুরা ম‌নে ক‌রে তা‌দের মাথায় বোঝা চা‌পি‌য়ে দেওয়া হয়েছে। তখন তারা পড়া‌লেখায় আগ্রহ হা‌রি‌য়ে ফে‌লে। চে‌য়ে থাকে বইয়ের দি‌কে, কিন্তু মন থা‌কে অন‌্য কোথাও।

সমাধান

বিভিন্ন কৌশলে অবলম্বন কর‌তে পা‌রেন। যেমন গল্প ক‌রে ক‌রে পড়ানো বা খেলার মাধ‌্যমে পড়ানো যেতে পারে। দু-এক ঘণ্টা পরপর পড়াটা জিজ্ঞাসা করতে পা‌রেন। আবার ছড়ার ঢঙে উচ্চ স্বরে শিশু‌দের পড়া‌তে পা‌রেন।

৫. বই পড়‌ছে না‌কি পাহাড় ডিঙা‌চ্ছে?


অনেক সময় দেখা যায়, বইয়ের টেক্সটা অনেক বড় বা দীর্ঘ। তখন শিশু‌টি ম‌নে হ‌বে, সে যেন এক‌টি পাহা‌ড় ডিঙা‌চ্ছে বা কো‌নো ম‌্যারাথ‌নে দৌড়া‌চ্ছে—এক কথায়, অনেক পরিশ্রমের কাজ করছে। এতে শিশুরা বিরক্ত হয়। পড়ায় আগ্রহ হা‌রি‌য়ে ফে‌লে।

সমাধান

বে‌শি ক‌ঠিন শব্দ মুখস্থ করা‌তে যা‌বেন না। বয়স উপযোগী বই দিন। শিক্ষককে বলুন টেক্সটগু‌লো ছোট ছোট ক‌রে দি‌তে, বোধগম‌্য ক‌রে পড়া‌তে। আর পড়ার সময় আপ‌নিও  উচ্চ স্বরে তার স‌ঙ্গে পড়ুন। তখন সে এক‌টু বির‌তি পাবে, আবার সঙ্গীও পাবে।


৬. অন‌্য কো‌নো সমস‌্যা নেই তো?

পড়তে শেখার প্রক্রিয়াটি কিন্তু সহজ নয়। তাই কো‌নো কো‌নো শিশুর অন্যদের তুলনায় পড়তে বেশি সমস্যা হয়। কিন্তু পেছ‌নের কারণটা কী, খুঁজে বের কর‌তে হ‌বে। কেউ কেউ অল্প সম‌য়ে পড়া আয়ত্ত কর‌তে পা‌রে, কেউ কেউ পা‌রে না। বাচ্চা কো‌নো কারণে ডিস্টার্ব কি না বা শিশু‌টি বি‌শেষ চা‌হিদাসম্পন্ন কি না, সেদি‌কে খেয়াল রাখ‌ুন।

সমাধান

এ জন‌্য মা-বাবা‌কে শিক্ষকের স‌ঙ্গে কথা বল‌তে হ‌বে, জানতে হবে তাঁর কা‌ছে সে রকম কিছু চোখে প‌ড়ে‌ছে কি না। শিশুর দৃষ্টিশক্তির কোনো সমস্যা আছে কি না, এটাও পরীক্ষা ক‌রে দেখ‌তে হ‌বে।

শেষ কথা

আরেক‌টি বিষয়, অন্য শিশুর স‌ঙ্গে আপনার বাচ্চার তুলনা করা উচিত নয়। এতে আপনার বাচ্চা কষ্ট পায় আর আগ্রহ হা‌রি‌য়ে ফে‌লে। আর সব সময় বল‌বেন না ‘এই পড়‌তে ব‌সো’। তখন পড়ার প্রতি বিতৃষ্ণা জাগ‌তে পারে।



Tuesday, October 8, 2024

জীবনের ‘গোপন মন্ত্র’ ফাঁস করলেন কারিনা

 


জীবনের ‘গোপন মন্ত্র’ ফাঁস করলেন কারিনা

২০২৪ সালটা কারিনার সাফল্য দিয়েই শুরু হয়েছে। কমেডি ছবি ক্রু–তে তাঁর দুরন্ত অভিনয় প্রশংসিত হয়েছে। বক্স অফিসেও ছবিটি ভালো ব্যবসা করেছে। অন্যদিকে গত ১৩ সেপ্টেম্বর মুক্তি পেয়েছে কারিনা অভিনীত ‘দ্য বাকিংহাম মার্ডারস’। হংসল মেহতার এই ছবি বক্স অফিসে ঝড় না তুললেও কারিনার অভিনয়ের তারিফ করেছেন সমালোচকেরা। ছবিতে দেখা গেছে মেকআপ ছাড়া কারিনাকে। বাণিজ্যিক ছবির জনপ্রিয় অভিনেত্রীকে মনস্তাত্ত্বিক দ্বন্দ্বে ভোগা এক গোয়েন্দার চরিত্রে দেখে অনেকেই চমকে গেছেন। এদিকে আগামী ডিসেম্বরে আসতে চলেছে তাঁর আরেক ছবি‘ সিংহাম এগেইন’। রোহিত শেঠি পরিচালিত এ ছবিতে অজয় দেবগনের বিপরীতে দেখা যাবে তাঁকে। সব মিলিয়ে বছরটা কারিনার ভালোই কাটতে চলেছে।


আগামী বছর অভিনয়জীবনের ২৫ বছর পার করবেন কারিনা কাপুর খান। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে জীবনের এক ‘গোপন মন্ত্র’ ফাঁস করেছেন এই বলিউড অভিনেত্রী। তিনি মনে করেন, ক্যারিয়ারের দুই যুগ পার করেও যে তিনি প্রাসঙ্গিক, তার পেছনে রয়েছে ‘উচ্চাকাঙ্ক্ষা’। তবে এমন কিছুর পেছনে তিনি ছোটেন না, যা তাঁকে মানসিকভাবে কষ্ট দেয়।
এ প্রসঙ্গে অভিনেত্রীর ভাষ্য, ‘আমি মনে করি, জীবনে উচ্চাকাঙ্ক্ষী হওয়া প্রয়োজন। কিন্তু সে জন্য নিজেকে বিভ্রান্ত করার বা মানসিক কষ্ট দেওয়ার কোনো মানে হয় না। এমন কোনো প্রত্যাশা, যা আমার মনের ওপর চাপ সৃষ্টি করতে পারে, তা আমার মোটেও পছন্দ নয়। সাফল্য আর জীবন—দুটি আলাদা বিষয়। এই দুইয়ের মধ্যে সমতা বজায় রেখে চলা অত্যন্ত জরুরি।’ কারিনা জানান, এই মন্ত্র তিনি মনেপ্রাণে বিশ্বাস করেন। সাক্ষাৎকারে চাচাতো ভাই রণবীর কাপুরকে প্রশংসায় ভাসান কারিনা। তাঁর কথায়, ‘একজন অভিনেতার মন দিয়ে নিজের অভিনয় করা উচিত। সিক্স প্যাক বা এইট প্যাক পেশি বানানোর দিকে এখনকার অভিনেতারা বেশি ঝুঁকছেন। রণবীর জানে অভিনয় দিয়ে মানুষের মন জয় করতে। সবাই তার অভিনয়দক্ষতা নিয়েই বেশি কথা বলেন। রণবীর অভিনেতা হিসেবে নিজেকে বারবার প্রমাণ করেছে।’

দারাজ বাংলাদেশে চাকরি, পদ ১০০০, বেতন ১০০০০

                       দারাজ বাংলাদেশে চাকরি, পদ ১০০০, বেতন ১০০০০


বেসরকারি প্রতিষ্ঠান দারাজ বাংলাদেশ লিমিটেড জনবল নিয়োগে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। প্রতিষ্ঠানটি ‘অপারেটর’ পদে নিয়োগ দেবে। আগ্রহী প্রার্থীদের সরাসরি মৌখিক পরীক্ষার জন্য উপস্থিত থাকতে হবে। ৮ থেকে ৩১ অক্টোবরের মধ্যে হবে এই মৌখিক পরীক্ষা। রাজধানীর তেজগাঁও এলাকায় দারাজ সর্ট সেন্টারে হবে এ সাক্ষাৎকার।

প্রতিষ্ঠানের নাম: দারাজ বাংলাদেশ লিমিটেড

পদের নাম: অপারেটর

পদসংখ্যা: ১০০০

বেতন: ১০,০০০ টাকা

অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা: প্রতিষ্ঠানের নীতিমালা অনুযায়ী অন্যান্য সুবিধা পাবেন

আবেদনের বয়স: ১৮ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে হতে হবে

কর্মঘণ্টা: প্রতিদিন ৯ ঘণ্টা

ছুটি: সাপ্তাহিক ১ দিন (রোস্টারভিত্তিক ছুটি)

কর্মস্থল: তেজগাঁও, ঢাকা।

আবেদন যেভাবে

তেজগাঁও দারাজ সর্ট সেন্টারে সরাসরি সাক্ষাৎকার পরীক্ষা (প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা) অনুষ্ঠিত হবে। আগ্রহী প্রার্থীদের দারাজ সর্ট সেন্টার, ২৬৯-২৭২, পেপসি গলি (তেজগাঁও কোয়ার্টার স্কুলের অপর পাশে), তেজগাঁও শি/এ, ঢাকা ঠিকানায় উপস্থিত হয়ে মৌখিক পরীক্ষা দিতে হবে।


এসেনসিয়াল ড্রাগস কোম্পানিতে চাকরি, পিএইচডি ডিগ্রি থাকলে অগ্রাধিকার

 

              এসেনসিয়াল ড্রাগস কোম্পানিতে চাকরি, পিএইচডি ডিগ্রি থাকলে অগ্রাধিকার



এসেনসিয়াল ড্রাগস কোম্পানি লিমিটেডের (ইডিসিএল) ব্যবস্থাপনা পরিচালক পদে কর্মকর্তা নিয়োগের জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে। ৮ অক্টোবর পর্যন্ত আবেদন করা যাবে।

পদের নাম: ব্যবস্থাপনা পরিচালক

পদসংখ্যা: ১

শিক্ষাগত যোগ্যতা: শিক্ষাগত যোগ্যতা হিসেবে উন্নত স্তরের প্রাতিষ্ঠানিক ও পেশাগত রেকর্ডসহ ফার্মেসি, রসায়ন, ফলিত রসায়ন, জীববিজ্ঞান, প্রকৌশল, চিকিৎসাবিজ্ঞান, এফসিএ, এফসিএমএ, এমবিএ বিষয়ে স্নাতকোত্তর অথবা চার বছরের স্নাতক ডিগ্রি থাকতে হবে। সংশ্লিষ্ট বিষয়ে পিএইচডি ডিগ্রিধারী অগ্রাধিকার পাবেন।

অভিজ্ঞতা: অভিজ্ঞতা হিসেবে বিভিন্ন শিল্প/সংস্থা/প্রতিষ্ঠানে মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনা, আর্থিক ও প্রশাসনিক পরিকল্পনা ও ব্যবস্থাপনার ওপর ন্যূনতম ২০ বছরের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। মৌলিক পর্যায়ের ব্যবস্থাপক পদে কমপক্ষে ৫ বছরের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে।

বয়স

বয়সসীমা ন্যূনতম ৫০ বছর।

যেভাবে আবেদন

আবেদনপত্র searchcomedcl@gmail.com ই-মেইলে অথবা উপদেষ্টার দপ্তর, স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ সচিবালয়, ঢাকা বরাবর পাঠাতে হবে। আবেদনপত্রের সঙ্গে পূর্ণাঙ্গ জীবনবৃত্তান্ত এবং ব্যবস্থাপনা পরিচালক পদে দায়িত্বপ্রাপ্ত হলে ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা সম্পর্কে একটি ধারণাপত্র (সর্বোচ্চ ৫০০ শব্দ) জমা দিতে হবে।

আবেদনের শেষ সময়

৮ অক্টোবর ২০২৪।

Friday, September 27, 2024

স্বপ্ন রেকর্ড করার যন্ত্র বানালেন বিজ্ঞানীরা

 

স্বপ্ন রেকর্ড করার যন্ত্র বানালেন বিজ্ঞানীরা



স্বপ্ন দেখতে কে না ভালোবাসেন! তবে জেগে নয় ঘুমের মধ্যে দেখা স্বপ্নগুলো হয় বেশ রোমাঞ্চকর। অনেকে স্বপ্ন দেখেন ঠিকই, কিন্তু ঘুম ভাঙার পর তা আর মনে করতে পারেন। তবে আপনার জন্য আছে সুখবর, অর্থাৎ এখন থেকে স্বপ্ন রেকর্ড করার সুযোগ পাবেন। যা আপনি ভুলে গেলেও পরে ঠিকই রেকর্ড হওয়া স্বপ্ন থেকে বুঝে নিতে পারবেন ঠিক স্বপ্নে কী দেখেছিলেন!

সম্প্রতি জাপানের একদল বিজ্ঞানী স্বপ্ন রেকর্ড করার একটি ডিভাইস তৈরি করে সবাইকে চমকে দিয়েছেন। তাদের তৈরি বিপ্লবী এই যন্ত্র আপনার স্বপ্ন রেকর্ড ও প্লেব্যাক করতে পারে। হ্যাঁ, আপনি যে ঠিক পড়েছেন! এই অবিশ্বাস্য প্রযুক্তিটি মস্তিষ্কের ইমেজিং ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) সাহায্যে আপনাকে ব্যতিক্রমী উপায়ে স্বপ্নের রহস্যময় রাজ্যে অনুসন্ধানে সাহায্য করবে।

এই ডিভাইসটি কিভাবে কাজ করে সে বিষয়ে কিয়োটোর এটিআর কম্পিউটেশনাল নিউরোসায়েন্স ল্যাবরেটরিজের বিজ্ঞানীরা একটি গবেষণা পরিচালনা করেছেন। যেখানে তারা ঘুমের প্রাথমিক পর্যায়ে থাকাকালীন স্বেচ্ছাসেবকদের জ্ঞানীয় কার্যকলাপ পর্যবেক্ষণ করেছেন।



দেখা গেছে, অংশগ্রহণকারীরা যখন আরইএম (র্যাপিড আই মুভমেন্ট) ঘুমে বা স্বপ্ন দেখতে শুরু করেন, তখন তারা ঘুমের মধ্যেই জেগে ওঠেন ও তাদের স্বপ্নের ব্যাখ্যা দেন যা তারা দেখেছিলেন। প্রক্রিয়াটি বারবার পরিচালিত হয়েছিল। নির্দিষ্ট মস্তিষ্কের নিদর্শনগুলোর সঙ্গে সংযুক্ত ছবিগুলোর একটি বিস্তৃত ডাটাবেস এভাবে তৈরি করা হয়।

এটিআর কম্পিউটেশনাল নিউরোসায়েন্স ল্যাবরেটরিজ থেকে প্রফেসর ইউকিয়াসু কামিতানি উল্লেখ করেছেন, ‘আমরা ঘুমের সময় মস্তিষ্কের কার্যকলাপ থেকে স্বপ্নের বিষয়বস্তু প্রকাশ করতে সক্ষম হয়েছি। যা বিষয়ের মৌখিক প্রতিবেদনের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ ছিল।’

গবেষণার অংশগ্রহণকারীদের মস্তিষ্কের স্ক্যানগুলো যত্ন সহকারে বিশ্লেষণ করে, বিজ্ঞানীরা ৬০ শতাংশ নির্ভুলতার সঙ্গে স্বপ্নের বিষয়বস্তুগুলো ভবিষ্যদ্বাণী করতে সফল হয়েছেন।

এই আশ্চর্যজনক প্রযুক্তি শুধু সাধারণ মানুষের কাছেই আকর্ষণীয় নয়, এর তাত্পর্য স্নায়ুবিজ্ঞান ও মনোবিজ্ঞানের ক্ষেত্রেও দারুণ কাজে আসবে বলে জানান বিজ্ঞানীরা। স্বপ্নগুলো ক্যাপচার করা ও তা পর্যবেক্ষণ করে স্নায়ুবিজ্ঞানী, মনোবিজ্ঞানী ও গবেষকরা মানব মস্তিষ্কের জটিল কাজ, চেতনার প্রকৃতি এবং স্বপ্ন দেখার গুরুত্ব সম্পর্কেও আরও জানতে পারবেন।

অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন জ্ঞানীয় স্নায়ুবিজ্ঞানী ড. মার্ক স্টোকসের মতে, ‘এটি সত্যিই একটি অভিনব গবেষণা। যা মানব মস্তিষ্ক সম্পর্কে আরও বেশি ধারণা দেবে ও ভবিষ্যতে এ বিষয়ক নতুন গবেষণার ক্ষেত্রেও কাজে লাগবে স্বপ্ন রেকর্ড করার ডিভাইসটি।’

ডেঙ্গু রোগীকে খাওয়াতে পারেন যেসব খাবার

 

ডেঙ্গু রোগীকে খাওয়াতে পারেন যেসব খাবার



ডেঙ্গুর প্রাদুর্ভাব বাড়ছে। এ সময় সুস্থ থাকাটা চ্যালেঞ্জের বিষয়। কারণ ডেঙ্গুতে শরীরের প্লাটিলেট কমে যেতে শুরু করে। এছাড়া শারীরিক বিভিন্ন সমস্যা বাড়তে পারে। তাই ডেঙ্গু হলে পুষ্টিকর খাবারের মাধ্যমে শরীরে পুষ্টি গ্রহণ আরও বাড়াতে হবে।

পুষ্টিবিদদের মতে, ডেঙ্গু হলে পুষ্টিকর খাবার খাওয়ার দিকে খেয়াল রাখা জরুরি। জ্বর হলে অনেকেই খাওয়া-দাওয়া ছেড়ে দেন। এর থেকে হতে পারে পানিশূন্যতা। পাশাপাশি কমে যেতে পারে প্লাটিলেট সংখ্যা। তাই বাড়িতে কারও ডেঙ্গু জ্বর হলে অবশ্যই কয়েকটি খাবার খাওয়ানো জরুরি।

কী কী খাওয়াবেন ডেঙ্গু রোগীকে?

ডাবের পানি

শারীরিক সুস্থতায় ডাবের পানি অনেক উপকারী। ডেঙ্গু জ্বর হলে শরীরে তরল পদার্থের শূন্যতা থেকে সৃষ্টি হয় ডিহাইড্রেশন। তাই এ সময় বেশি করে ডাবের পানি পান করুন। এতে থাকে ইলেক্ট্রোলাইটসের মতো প্রয়োজনীয় পুষ্টি।

ডালিম

ডালিমে থাকে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন ও মিনারেল। এ সময় ডালিম খেলে বাড়বে প্লাটিলেটের সংখ্যা। এই উপকারী ফলটি খেলে ক্লান্তি ও অবসাদ অনুভূতিও দূর হবে।

কমলা

কমলা বা মালটার রসে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি ও অ্যান্টি অক্সিডেন্ট থাকে। এ দুটি উপাদান ডেঙ্গু জ্বর নিয়ন্ত্রণে উপকার করে।

হলুদ

রান্নাঘরের একটি উপাদান হলো হলুদ। যা চিকিৎসায় যুগ যুগ ধরে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। ডেঙ্গু জ্বর হলে এক গ্লাস দুধের সঙ্গে এক চিমটি হলুদ মিশিয়ে পান করুন। হলুদ দুধ খাওয়ার একাধিক স্বাস্থ্য উপকারিতা আছে।

ব্রোকলি

ব্রোকলি হলো ভিটামিন কে’র একটি ভালো উৎস। অন্যদিকে ভিটামিন কে রক্তের প্লাটিলেট বাড়াতে সহায়তা করে। যদি কোনো ব্যক্তি ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হন, তাহলে অবশ্যই তাকে ব্রোকলি খাওয়াতে হবে।

পালং শাক

পালং শাকে থাকে প্রচুর পরিমাণে আয়রন ও ওমেগো-থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড। শরীরের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থাকেও শক্তিশালী করতে সহায়তা করে এই শাক। পালং শাক গ্রহণে ডেঙ্গু রোগীর প্লাটিলেট দ্রুত বাড়বে।

ডেঙ্গু হলে পুষ্টিকর খাবার খাওয়ার পাশাপাশি তৈলাক্ত ও ভাজাপোড়া খাবার পরিহার করুন। একই সঙ্গে মসলাযুক্ত খাবারও এড়িয়ে চলতে হবে।

এছাড়া ক্যাফেইনযুক্ত পানীয় পান করবেন না। এসব খাবার শরীরের কোনো উপকারেই আসে না বরং ক্লান্তি ও অসুস্থতা বাড়িয়ে দেয়।


রক্তদানের পর শরীরের যেসব উপকার হয়

রক্তদানের পর শরীরের যেসব উপকার হয়



রক্তদান মহৎ একটি উদ্যোগ। অন্যকে রক্ত দেওয়ার মাধ্যমে যেমন তার জীবন বাঁচানো যায়, ঠিক তেমনই রক্তদান করলে নিজের শরীরেরও উপকার হয়।

অনেকেই ভেবে থাকেন, রক্তদান করলে শারীরিক বিভিন্ন সমস্যায় ভুগতে হবে। ধারণাটি ঠিক নয়। কারণ রক্তদানের অনেক উপকারিতা আছে। পৃথিবীর সর্বশ্রেষ্ঠ ও নিঃস্বার্থ উপহার হলো রক্তদান।

পরিসংখ্যান অনুযায়ী, দেশে বছরে ৮-৯ লাখ ব্যাগ রক্তের চাহিদা থাকলেও রক্ত সংগ্রহ হয় ৬-৬.৫ লাখ ব্যাগ। ঘাটতি থাকে তিন লাখ ব্যাগের বেশি।



এ ছাড়া সংগ্রহকৃত রক্তের মাত্র ৩০ শতাংশ আসে স্বেচ্ছায় রক্তদাতাদের থেকে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এক ব্যাগ রক্ত দিতে সময় লাগে মাত্র ১০-১২ মিনিট। এই অল্প সময়ে চাইলেই একজনের প্রাণ বাঁচানো সম্ভব।

করা রক্ত দিতে পারবেন? ১৮ থেকে ৪৫ বছর বয়সের মধ্যে শারীরিকভাবে সুস্থ নারী ও পুরুষ রক্ত দিতে সক্ষম। এক্ষেত্রে পুরুষের ওজন থাকতে হবে অন্তত ৪৮ কেজি এবং নারীর অন্তত ৪৫ কেজি।

রক্তদাতাকে অবশ্যই ভাইরাসজনিত রোগ, শ্বাসযন্ত্রের রোগ এবং চর্মরোগ মুক্ত থাকতে হবে। সাধারণত ৯০ দিন পর পর, অর্থাৎ তিন মাস পর পর রক্ত দেওয়া যায়।



রক্ত দেওয়ার পর যা হয়

রক্ত দেওয়ার পর কিছুটা মাথা ঘোরাতে পারে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এ সময় হাঁটাহাঁটি না করে অন্তত ১-২ ঘণ্টা বিশ্রাম নেওয়া উচিত। রক্তদাতা যদি ঘামতে থাকেন এবং অস্থির হন, তবে তাকে স্যালাইন খাওয়াতে হয়।

সাধারণত প্রাপ্ত বয়স্ক সুস্থ মানুষ প্রতিবার ৪৫০ মিলিলিটার রক্ত দেওয়া হয়। রক্ত দেওয়ার পর লোহিত রক্তকণিকার মাত্রা স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে যেতে অন্তত এক থেকে দেড় মাস সময় লাগতে পারে। পাশাপাশি রক্ত বাড়ে এমন খাবার খাওয়ার পরামর্শ দেন চিকিৎসকরা।


নিয়মিত রক্তদানের মাধ্যমে শরীর যেভাবে উকৃত হয়-

>> নিয়মিত রক্তদান করলে ক্যানসারে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি কমে।
>> বছরে তিনবার রক্ত দিলে শরীরে নতুন লোহিত কণিকা তৈরির হার বেড়ে যায়। এতে অস্থিমজ্জা সক্রিয় থাকে। দ্রুত রক্তস্বল্পতা পূরণ হয়।
>> রক্তে কোলেস্টরেলের মাত্রা কমে যায়। এর ফলে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে থাকে। ফলে হৃদরোগ ও হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি কমে যায়।


>> শরীরে হেপাটাইটিস-বি, হেপাটাইটিস-সি, জন্ডিস, ম্যালেরিয়া, সিফিলিস, এইচআইভি বা এইডসের মতো বড় রোগ সম্পর্কে জানা যায়।
>> রক্তদাতার শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে।



কেন আপনার শিশু পড়তে চায় না, জানেন?

              কেন আপনার শিশু পড়তে চায় না, জানেন? মা–বাবারা প্রায়ই অভিযোগ ক‌রেন, ‘আমার বাচ্চাটা পড়‌তে চায় না।’ অন‌্য সবদি‌কে ম‌নো‌নি‌বেশ থা...